শিরোনাম
শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৪০ পূর্বাহ্ন

শিক্ষাব্যবস্থার মূলধারায় ‘ইসলাম শিক্ষা’ বাধ্যতামূলক করার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১২৪ Time View
Update : শুক্রবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

এ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের নৈতিকতা ও মূল্যবোধ সংরক্ষণে শিক্ষাব্যবস্থার মূলধারার প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়সহ প্রতিটি স্তরে ইসলাম শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার দাবি করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে অনুষ্ঠিত বিভাগটির সব শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর একটি মতবিনিময়সভায় এই দাবি তুলে ধরা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিভাগটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. ছানাউল্লাহ।

সভায় সম্প্রতি ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ‘জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) কর্তৃক প্রণীত ও মুদ্রিত সব পাঠ্যপুস্তক সংশোধন ও পরিমার্জন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন ও সমন্বয়ের লক্ষ্যে’ শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত কমিটি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ থেকে দুইজন এবং আরবি বিভাগ থেকে দুইজন মোট চারজন বিশেষজ্ঞ শিক্ষককে অন্তর্ভুক্ত করে উক্ত কমিটি পুনর্গঠনের জন্য দাবিও জানান হয়।

বক্তব্য প্রদানকালে বিভাগটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. ছানাউল্লাহ বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার মূলধারার সব স্তরে (প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়) ইসলাম শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে। এ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের নৈতিকতা ও মূল্যবোধ সংরক্ষণে ইসলাম শিক্ষা অতীব জরুরি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত কমিটিতে কোনো ইসলামী বিশেষজ্ঞ না থাকায় উক্ত সভায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শফিক আহমেদ বলেন, এনসিটিবি কর্তৃক গঠিত কমিটিতে কোনো ইসলাম বিশেষজ্ঞ রাখা হয়নি। বিষয়টি ধর্মপ্রাণ মানুষের জন্য সত্যিই উদ্বেগজনক।

এ সময় বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের ছাত্র মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, বিগত সরকারের আমলে পাঠ্যপুস্তকে অনেক অনৈসলামিক উপায়-উপাদান সংযুক্ত করা হয়েছিল এবং তা নিয়ে দেশের সর্বমহলে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। ইসলামী মূল্যবোধের সঙ্গে সংগতি রেখে পাঠ্যপুস্তক সংশোধন ও পরিমার্জনের জন্য ইসলাম বিশেষজ্ঞের কোনো বিকল্প নেই।

আরেক শিক্ষার্থী মো. হাসান তারেক খান বলেন, এনসিটিবি কর্তৃক গঠিত কমিটিতে বিজ্ঞ ইসলামিক ব্যক্তিত্বের অনুপস্থিতি কমিটির কার্যক্রমকে বিতর্কিত করবে।

শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের এই মতবিনিময়সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক উক্ত কমিটিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ থেকে দুইজন এবং আরবি বিভাগ থেকে দুইজন মোট চারজন বিশেষজ্ঞ শিক্ষককে অন্তর্ভুক্ত করে কমিটি পুনর্গঠনের দাবি জানানো হয়। অন্যথায় যথাযথভাবে পরিমার্জন ও ইসলামী মূল্যবোধবিরোধী উপাদান পরিমার্জন সম্ভব হবে না বলেও উল্লেখ করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা