এদেশে আর কোন দূর্ণীতি-বাজ ও স্বৈরাচারের জায়গা হবে না। আমরা জেল জুলুম ও অনেক নির্যাতনের শিকার হয়েছি। বিএনপি নেতা কর্মীদের নামে হাজার হাজার মিথ্যা ও গায়েবী মামলা রয়েছে। আইনানুগভাবে সকল মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি হইবে মর্মে সবাইকে আশ্বস্ত করেন। তারেক রহমান দ্রুত বাংলাদেশে বীরের বেশে ফিরে আসবেন বলে সকলকে উৎসাহিত করেন। বিএনপির নামে যারা চাঁদাবাজি বা সন্ত্রাসী করবে তাদেরকে প্রতিহত করতে বলেন এবং তাদেরকে ধরে পুলিশের নিকট হস্তান্তর করতে বলেন। তারেক রহমানের নির্দেশ কোন চাঁদাবাজ এবং সন্ত্রাসীদের স্থান বিএনপির মত একটি জনপ্রিয় দলে হবে না বলেও হুশিয়ারী করেন। কোন নেতা কর্মীর সন্ত্রাসী মাস্তানী বা চাঁদাবাজির কারণে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পরিবার প্রশ্নবিদ্ধ হইবে বা নির্যাতনের শিকার হইবে,তা কখনো বরদাশত করা হইবে না বলেও হুশিয়ারী দেন নেতা কর্মী দেরকে। তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন বালু মহলের বানিজ্য নিয়ে কেউ যেন ছিনিমিনি খেলতে না পারে, তা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসার জন্য জোর দাবী জানান। তিনি বিচার বিভাগকে ন্যায় বিচার করার জন্য অনুরোধ করেন। কোন প্রশাসন যাতে হাজার কুটি টাকা দূর্নীতি করে প্রতিটি জেলায় বাড়ী ঘর তৈরা না করে, তার জন্য সকলকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সম্মানিত সদস্য ও ডেনমার্ক বিএনপির বিপ্লবী প্রেসিডেন্ট গাজী মনির আহমেদ প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ডিসেম্বর) সংগঠনের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক সালমান ফারসি পাটোয়ারীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহ্বায়ক- অ্যাড. শাহজালাল ভুঁইয়া সবুজ।
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক- অ্যাড. লায়লা আরজুমান আরা এবং যুগ্ম আহবায়ক- অ্যাড. আবদুল্লাহ আল মামুন (জুয়েল), যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ বেলায়েত হোসেন মীর, যুগ্ম আহবায়ক অ্যাড. ফখরুদ্দিন ভুঁইয়া,এ সময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম আহ্বায়ক-ইঞ্জিঃ তৌহিদ আফনান ফয়সল, যুগ্ম আহ্বায়ক- এনামুল হক, সদস্য- নুর মোহাম্মদ রিপন, সজিব আলম রানা, মোঃ আনিস, হারিছ মজুমদার ইয়াসিন, আবদুল্লাহ আল কাইয়ুম, মোঃ আজমির হোসেন, মোঃ ইমাম হোসেন বাদল, নুর মোহাম্মদ জুয়েল প্রমুখ।