শিরোনাম
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিরোধী দল সরকার অবিলম্বে গণমাধ্যম সংস্কারে কার্যক্রম শুরু করবে: তথ্যমন্ত্রী ভারত থেকে আনা হচ্ছে রেলের ২০০ ব্রডগেজ কোচ: রেলপথমন্ত্রী ফেনীতে অবৈধ মাটির কারবার ঘিরে অস্থিরতা এত দিন কোথায় ছিলেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন, যা জানাগেল সরকারের মেন্টালিটি চেঞ্জ হয়ে গেছে, চব্বিশ আবারও হবে’: হাসনাত আবদুল্লাহ কীভাবে নির্বাচিত হন সংরক্ষিত নারী আসনের এমপিরা, ভোট হয় কীভাবে? অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩ অধ্যাদেশের কোনগুলো বাদ, আর কোনগুলো থাকছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ এলপিজির সরকারি দাম ১৭০০ হলেও বিক্রেতাদের কিনতে হচ্ছে ১৯০০তে
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১১ অপরাহ্ন

আ.লীগ নিষিদ্ধকরণে ৪ পদ্ধতি জানালেন আইনজীবী তুহিন মালিক

Reporter Name / ১০১ Time View
Update : শনিবার, ১০ মে, ২০২৫

তবে আওয়ামী লীগ আর কখনোই ফিরতে পারবে না এবং পৃথিবীর ইতিহাসে গণহত্যাকারী ফ্যাসিস্টের কোনো প্রত্যাবর্তন হয় না বলে মন্তব্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. তুহিন মালিক। এ সময় আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে চারটি রোডম্যাপ দিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (৯ মে) ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে এক পোস্টে তিনি ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধকরণে এই চার পদ্ধতির কথা জানান।

পোস্টে তুহিন মালিকের চারটি পদ্ধতি হলো, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধে ৪ রোডম্যাপ হলো౼১. ন্যাশনাল ও পলিটিকাল, ২. লিগ্যাল, ৩. জুডিশিয়াল, ৪. কন্সটিটিউশনাল।

১. ন্যাশনাল ও পলিটিকাল : ৫ আগস্ট পলিটিকালি আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হয়ে গেছে। ন্যাশনাল ও পলিটিকাল ঐকমত্য ও সিদ্ধান্তও কার্যকর হয়ে গেছে। নতুন করে এই ইস্যু আনা মানে নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তকে পিছিয়ে দেওয়া। তবে নিষিদ্ধের প্রক্রিয়া নিয়ে হয়তো প্রতিটি রাজনৈতিক দলেরই ভিন্ন রাজনৈতিক কৌশল থাকতে পারে। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিষয়ে বিএনপিসহ কারোই তো কোনো আপত্তি থাকার কথা নয়। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধে বিএনপি তার অভিমত লিখিত ও মৌখিকভাবে জানিয়েছে। এ ক্ষেত্রে তারা সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে বলেছে। সরকার সিদ্ধান্ত নিলেই তো হয়। কে বাধা দেবে? আপত্তি করার কেউ কী আছে?

২. লিগ্যাল : নির্বাহী আদেশ দিয়ে আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা করে নিষিদ্ধ করাটা কালকের মধ্যেই সম্ভব। সেই সাথে সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে, অবিলম্বে জুলাই ঘোষণাপত্র জারি করে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিধান চিরস্থায়ী করে দেওয়া।

৩. জুডিশিয়াল : আইসিটি ট্রাইব্যুনালের আইনে সংগঠনের বিচার করার বিধান নাই। এতটা সময় চলে গেল, অথচ সরকার আইন সংশোধন করে এই বিধান যুক্ত করার সময় পায়নি। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে আওয়ামী লীগের দলগত বিচারের বিধান যুক্ত করাটা কালকের মধ্যেই সম্ভব।

৪. কন্সটিটিউশনাল : নতুন সংবিধানে একাধিকবার গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধকরণ। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ মানুষের মনে এমনই ভীতি সৃষ্টি করেছে, অনেকে আতঙ্কগ্রস্ত, আওয়ামী লীগ ফিরে আসলে নিষিদ্ধের সব বিধান বাতিল করে দিয়ে চরমতম প্রতিশোধ নেবে। ভুল সবই ভুল। জেনে রাখুন, আওয়ামী লীগ আর কখনোই ফিরতে পারবে না। পৃথিবীর ইতিহাসে গণহত্যাকারী ফ্যাসিস্টের কোনো প্রত্যাবর্তন হয় না। হলে ইতিহাস মিথ্যা হয়ে যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা