ফেনী জেলা শিক্ষক সমিতি কর্তৃক সাংবাদিক সম্মেলনে শর্শদি ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিম ও মাদ্রাসাকে নিয়ে মিথ্যা অপবাদের প্রতিবাদে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও এলাকাবাসীর প্রেস ব্রিফিং করে।
রবিবার(১৭ই আগষ্ট) দুপুরে শর্শদি মাদ্রাসা প্রাঙ্গন সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শর্শদি ইসলামিয়া দারুল উলূম মাদ্রাসার মুহতামিম মাও. ইসমাঈল হায়দার।
তিনি বলেন গত ১৬ আগষ্ট ফেনী জেলা শিক্ষক সমিতি কর্তৃক শর্শদি বালিকা বিদ্যা নিকেতনের শিক্ষক, রাষ্ট্রদ্রোহী ও জঙ্গী সংগঠন ইসকনের সদস্য মৃণাল কান্তি দাসের পক্ষে সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়েছে।
সাংবাদিক সম্মেলনে শর্শদি মাদ্রাসা ও মাদ্রাসার মুহতামিম মাও. ইসমাঈল হায়দারকে নিয়ে সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত বক্তব্য রাখা হয়েছে।
মৃণাল কান্তি দাস ইতিপূর্বে রাষ্ট্রদ্রোহী ও জঙ্গী সংগঠন ইসকনের মিছিলে সরাসরি নেতৃত্ব দিয়েছে এবং শর্শদি বালিকা বিদ্যা নিকেতনে ছাত্রীদের বোরকা-হিজাব নিয়ে কটুক্তি ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যসহ ইসলাম বিরোধী ও উস্কানীমূলক বক্তব্য প্রদান করার কারণে এলাকাবাসী ও ছাত্রীদের অভিভাবকবৃন্দ ক্ষীপ্ত হয়ে তাকে স্কুলে অবাঞ্চিত ঘোষণা করে এবং স্কুল থেকে বহিষ্কারের জোরালো দাবী জানিয়ে আসছে। এর ধারাবাহিকতায় সে প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞায় কয়েকমাস স্কুলে অনুপস্থিত ছিল।
তিনি আরও বলেন,গতকিছুদিন পূর্বে ফেনী জেলার শিক্ষক সমিতির সভাপতি সামছুল হক চৌধুরী আমার সাথে যোগাযোগ করেন ও তিনি আমাদের মাদ্রাসায় এসে মৃণাল কান্তির বিষয়ে আলোচনা করেন। সামছুল হক চৌধুরীকে আশ্বস্ত করি মৃণাল কান্তির ব্যাপারে আমি ও আমার মাদ্রাসার কোন ছাত্র-শিক্ষক আগেও জড়িত নয়, আগামিতেও জড়িত হবে না। তবে এলাকাবাসী বা সাধারণ জনগণের ব্যাপারে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ দায়িত্ব নিতে পারবে না।
আমি শুনেছি গত বৃহস্পতিবার সামছুল হক চৌধুরী মৃণাল কান্তিকে নিয়ে স্কুলে গেলে এলাকাবাসীর সাথে তাদের বাকবিতন্ডা হয়। এ সম্পর্কে আমি কিছুই জানিনা। কিন্তু পরবর্তীতে সাংবাদিক সম্মেলনে এর দায় উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও পরিকল্পিতভাবে শর্শদি মাদ্রাসা ও আমার উপরে চাপিয়ে দেয়া হয়। শিক্ষক সমিতির সভাপতি সামছুল হক চৌধুরী মুহতামিম ও মাদ্রাসাকে টার্গেট করে কাদের এজেন্ড বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছে। তা জাতির কাছে প্রশ্ন।এই সাংবাদিক সম্মেলনের মধ্য দিয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিত মিথ্যা-বানোয়াট ও পরিকল্পিত অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।