হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ মোট ৩০ জন উর্ধ্বতন ইরানি কর্মকর্তাকে হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। ইসরায়েলের চ্যানেল ১২-এর বরাত দিয়ে রোববার (১ মার্চ) বিবিসি জানিয়েছে, দেশটির বিমান বাহিনী শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) তাদের দীর্ঘদিনের শত্রুর বিরুদ্ধে ‘হামলা শুরুর মাত্র আধা মিনিটের মধ্যে’ পরিচালিত অভিযানে ওই ৩০ জন নিহত হয়েছে।
চ্যানেল-১২ এর ওয়েবসাইট এন১২-তে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা মহল জোর দিয়ে বলছে, তারা অভিযান কেবল শুরু করেছে। আগামী কয়েকদিন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অন্যান্য ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি ও মার্কিন সামরিক বাহিনীর মধ্যে নিবিড় পরিকল্পনা ও গোয়েন্দা সহযোগিতার কথা গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করছে।
তবে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ইয়োভ লিমোর সতর্ক করে বলেছেন, ‘শীঘ্রই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের মধ্যে গ্যাপ বা মতপার্থক্য দেখা দিতে পারে। এই যুদ্ধকে কয়েক দিন বা সপ্তাহ, সম্ভবত আরও দীর্ঘ সময় করার জন্য ধৈর্য এবং সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে ইসরায়েলের। কিন্তু এটা স্পষ্ট নয় যে ট্রাম্পের ধৈর্য এবং মাথা ঠান্ডা রাখার ক্ষমতা একই স্তরের রয়েছে কি-না।’
দেশটির প্রবীন সাংবাদিক নাহুম বারনিয়া উল্লেখ করেছেন, ‘আমেরিকার জন্য এটা একটি পছন্দের যুদ্ধ কিন্তু ইসরায়েলের জন্য এটি একটি প্রয়োজনের যুদ্ধ।’
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পূর্ণ সমর্থন থাকলেও তিনি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের জনমতের পরিবর্তনের বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করেছেন।