শিরোনাম
সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম, হুইপ হলেন যারা আপনি কার সঙ্গে কথা বলেন জানেন’ হুমকি পাওয়া সেই ডিসিকে বদলি ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে খামেনিসহ ৩০ ইরানি কর্মকর্তাকে যেভাবে হত্যা করা হয়! আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত কিছুক্ষণের মধ্যে ভাষণ দেবেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি আত্মহত্যার ৫ ঘণ্টা আগে দীর্ঘ ফেসবুক পোস্টে যা লিখেছিলেন জাহের আলভীর স্ত্রী সেলিনা হায়াৎ আইভী আবারও শোন অ্যারেস্ট নির্বাচনে হারলেও জনগণের পাশে থাকতে চাই: ব্যারিস্টার ফুয়াদ এমপি-মন্ত্রীরা যেদিন ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নেবেন, সেদিনই স্বাস্থ্যখাতের দুর্দশা কাটবে রাষ্ট্রপতিকে গণহত্যার দায়ে গ্রেপ্তার করতে হবে: দাবি নাহিদ ইসলামের
বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন

ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিক আর নেই

Reporter Name / ৯৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর, ২০২৫

ভাষাসংগ্রামী, কবি, প্রাবন্ধিক ও রবীন্দ্রবিশেষজ্ঞ আহমদ রফিক মারা গেছেন। রাজধানীর বারডেম হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ১২ মিনিটে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না এলাহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৬ বছর।

আহমদ রফিকের বিশেষ সহকারী মো. রাসেল তাঁর মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বারডেম হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, মৃত ঘোষণা করার সাত মিনিট আগে তাঁর কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়।

এর আগে শারীরিক অবস্থা অবনতি হওয়ায় বুধবার বিকেলে তাঁকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বারডেম হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগের প্রধান ডা. কানিজ ফাতেমার তত্ত্বাবধানে তাঁর চিকিৎসা চলছিল। কিডনির সমস্যার পাশাপাশি সম্প্রতি কয়েকবার তাঁর ‘মাইল্ড স্ট্রোক’ হয়।

১১ সেপ্টেম্বর ল্যাবএইড হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর তাঁকে পান্থপথের হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তবে সেখানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সুবিধা না থাকায় রোববার তাঁকে বারডেম হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

আহমদ রফিক নিউ ইস্কাটনের গাউসনগরের একটি ভাড়া বাসায় একাই বসবাস করতেন। ১৯২৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জন্ম নেওয়া এই ভাষাসংগ্রামী ২০০৬ সালে স্ত্রীকে হারান। তিনি নিঃসন্তান।

ভাষা আন্দোলনের অন্যতম প্রাবন্ধিক ইতিহাসবিদ এই লেখক শতাধিক গ্রন্থ রচনা ও সম্পাদনা করেছেন। পেয়েছেন একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ বহু সম্মাননা। দুই বাংলার রবীন্দ্রচর্চায় তাঁর অবদান অনন্য; কলকাতার টেগর রিসার্চ ইনস্টিটিউট থেকে তাঁকে দেওয়া হয় ‘রবীন্দ্রতত্ত্বাচার্য’ উপাধি।

২০১৯ সাল থেকে দৃষ্টিশক্তি ক্ষীণ হতে শুরু করলে অস্ত্রোপচার করা হলেও ফল আশানুরূপ হয়নি। ২০২৩ সাল থেকে তিনি প্রায় দৃষ্টিহীন। ২০২১ সালে পড়ে গিয়ে পা ভেঙে যাওয়ার পর থেকেই তাঁর শারীরিক অবস্থা ক্রমশ অবনতির দিকে যেতে থাকে।

জানা গেছে, মৃত্যুর আগে তিনি তাঁর মরদেহ ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতাল মেডিকেল কলেজে দান করে গেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা