বাংলাদেশে জমি সংক্রান্ত বিরোধ সাধারণ। অনেক সময় এমন হয়, কারো হাতে বৈধ দলিল থাকলেও রেকর্ডে নাম নেই বা বাস্তবে জমি দখল করা নেই। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে থাকা read more
দেশে জমি বেচা-কেনা এখন শুধু বিনিয়োগ বা ব্যক্তিগত প্রয়োজন নই। এটি এখন এক ধরনের বড় আর্থিক ও আইন সিদ্ধান্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেমন, জমি কেনার ক্ষেত্রে এখন জাল দলিল বা অস্পষ্ট
ভূমি মালিকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা দিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। সাম্প্রতিক সময়ে নামজারি আবেদনের বিপুল সংখ্যক ফাইল বাতিল হচ্ছে নানা ভুলের কারণে। অধিকাংশ আবেদনকারী মনে করেন তারা সব ঠিকঠাক করেছেন, কিন্তু বাস্তবে
রবিবার (১০ নভেম্বর) গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের অধীনে উন্নয়নকৃত আবাসিক প্লট বা ফ্ল্যাট হস্তান্তরে
বর্তমানে বাংলাদেশে জমির মালিকানা প্রমাণের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দলিল হলো নামজারি। জমি রেজিস্ট্রির পরপরই এটি সম্পন্ন করতে হয়, যাতে সরকারিভাবে আপনাকে জমির মালিক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া যায়। কিন্তু অনেকেই ভুলের কারণে
বাংলা চলচ্চিত্র, নাটক ও দৈনন্দিন কথোপকথনে ‘ত্যাজ্যপুত্র’ শব্দটি প্রায়ই ব্যবহৃত হয়। ফলে অনেকের ধারণা, সন্তানকে ‘ত্যাজ্য’ ঘোষণা করলে সে পারিবারিক সম্পর্ক ও সম্পত্তির অধিকার থেকে পুরোপুরি বঞ্চিত হয়। কিন্তু বাংলাদেশের
ভূমি নিয়ে বিরোধ, মামলা কিংবা পারিবারিক জটিলতা—এসবের পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হলো প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঘাটতি। নতুন ভূমি আইন কার্যকর হওয়ার পর এই ঝুঁকি আরও বেড়েছে। সঠিক দলিলপত্র সংরক্ষণ না থাকলে