সরকারের উদ্যোগে দেশের ১১৭ বছরের পুরোনো দলিলপত্র ডিজিটালাইজ করে অনলাইনে সংরক্ষণের কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ভূমি মালিকদের জন্য এ এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এখন থেকে দলিল রেজিস্ট্রেশন থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ কার্যক্রম
সম্পূর্ণ ভূমি সেবা এখন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে। এর ফলে যেমন ভূমি মালিকদের জন্য সুবিধা বাড়ছে, তেমনই কিছু ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ শ্রেণির মালিকদের জন্য এসেছে কঠোর বিধিনিষেধ। নতুন ডিজিটাল সেবার আওতায় এখন ছয় শ্রেণির
একটি জমি যদি ভিন্ন সময়ে দুইজন ব্যক্তির কাছে বিক্রি করা হয়, তাহলে প্রকৃত মালিক কে হবেন? এ বিষয়ে ব্যারিস্টার তাসমিয়া আনজুম স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “ধরুন, একটি জমি ২০০০
এবার হালাল পদ্ধতিতে জমি বন্ধক রাখার নিয়ম জানালেন লেখক, গবেষক ও ইসলামিক ব্যক্তিত্ব শায়খ আহমাদুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘বন্ধক রাখা জায়েয আছে। শুধু লোন নেওয়ার পদ্ধতি পরিবর্তন করতে হবে।’ শায়খ আহমাদুল্লাহ
ভূমির ই-নামজারি করার জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে (https://land.gov.bd/) যেতে হবে। এরপর অনলাইন নামজারি সিস্টেমে ঢুকে ‘অনলাইনে আবেদন করুন’ ও ‘আবেদন ট্র্যাকিং’ নামে দুটি অংশ দেখা যাবে। বাম পাশে ‘অনলাইনে আবেদন
জমিজমা নিয়ে যে ৬টি কারণে সবচেয়ে বেশি বিরোধ আর মামলা-মোকদ্দমা হয় সে বিষয়গুলো এড়িয়ে চলা ও উত্তোরণের উপায়সমূহ নিয়ে আজকের নিবন্ধ। জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশে এই মুহূর্তে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা প্রায়
আমাদের দেশে লাখ লাখ রেকর্ড সংশোধনের মোকদ্দমা নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। সরকারি কর্মকর্তাদের অসহযোগিতা, আদালতে দীর্ঘসূত্রতা সেই সাথে প্রয়োজনীয় বিচারিক কর্তৃপক্ষের অভাবে এ মামলায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তির যেন শেষ নেই। সিএস,