• বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৯ অপরাহ্ন
Headline
লক্ষণ সেন পদত্যাগ রহস্য ইউপি নির্বাচনের জামানত বাড়ল, ব্যয়ের সীমা ১০ লাখ টাকা ইউপি নির্বাচনে যেসব প্রতীক পাবেন চেয়ারম্যান, সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্যরা তিন উপজেলায় সরকারি ভবনে সোলার প্রকল্প, অস্পষ্ট ব্যয় ফ্রিজে সবজি রাখার বক্সে পানি জমলে করণীয় ২ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার সময় সাব-রেজিস্ট্রার ও ২ সহযোগী আটক ইয়াকুবপুর ইউনিয়নের সেবক হতে চান বিশিষ্ট সমাজসেবক সৈয়দ ফয়সাল আহম্মেদ মাঠপর্যায়ে এনআইডির জন্মতারিখ সংশোধনে ইসির নতুন নিয়ম এক লাফে ২০ টাকা মূল্যবৃদ্ধি, জনগণের ওপর নতুন বোঝা চাপানো হলো : এবি পার্টি ‘গাজী নজরুল জামায়াতের কেউ নন, স্ত্রীর মৃত্যুর তদন্তের দায়িত্ব সরকারের’

স্মার্টফোনে ব্লুটুথ অন রাখা কতটা নিরাপদ

ফিচার ডেস্ক / ২৯১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

স্মার্টফোনে ব্লুটুথ সবসময় চালু রাখা সাধারণ একটি অভ্যাস মনে হলেও এর সঙ্গে কিছু বাস্তব নিরাপত্তা ঝুঁকি জড়িয়ে থাকতে পারে। বর্তমানে হেডফোন, স্মার্টওয়াচ, গাড়ির সিস্টেম বা ফাইল আদান-প্রদানের মতো বিভিন্ন কাজে ব্লুটুথ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে প্রয়োজন শেষে এটি বন্ধ না করলে ব্যক্তিগত তথ্য, ডিভাইস এবং সার্বিক নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে।

প্রথমত, ব্লুটুথ সবসময় চালু থাকলে আপনার ডিভাইস অন্যদের কাছে ডিসকভারেবল বা দৃশ্যমান হয়ে থাকতে পারে। এতে আশেপাশে থাকা কোনো হ্যাকার সহজেই আপনার ফোন শনাক্ত করতে পারে। তারা বিশেষ কিছু পদ্ধতি ব্যবহার করে আপনার ফোনে অননুমোদিতভাবে ঢোকার চেষ্টা করতে পারে, যাকে বলা হয় ব্লুটুথ হ্যাকিং।

দ্বিতীয়ত, ব্লুটুথ চালু থাকলে ডিভাইস থেকে নিয়মিত সিগন্যাল বের হয়, যা ব্যবহারকারীর অবস্থান ট্র্যাক করতেও কাজে লাগানো যেতে পারে। শপিং মল বা পাবলিক প্লেসে কিছু ট্র্যাকিং সিস্টেম এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে। ফলে আপনার অজান্তেই কেউ আপনার চলাফেরার তথ্য সংগ্রহ করতে পারে।

তৃতীয়ত, অপরিচিত ডিভাইসের সঙ্গে ভুলবশত কানেক্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও থাকে। অনেক সময় হ্যাকাররা এমন নাম ব্যবহার করে যা দেখে ব্যবহারকারী বিভ্রান্ত হয়ে কানেক্ট করে ফেলেন। একবার সংযোগ হয়ে গেলে তারা আপনার ফোনের কিছু অংশে প্রবেশাধিকার পেতে পারে।

চতুর্থত, ব্যাটারির ওপরও এর প্রভাব পড়ে। যদিও আধুনিক ব্লুটুথ অনেক কম শক্তি ব্যবহার করে, তবুও অপ্রয়োজনে চালু থাকলে তা ধীরে ধীরে ব্যাটারি ক্ষয় করে।
তবে এর মানে এই নয় যে ব্লুটুথ ব্যবহারই করা যাবে না। বরং সচেতন ব্যবহারই এখানে মূল বিষয়। কিছু সহজ অভ্যাস আপনাকে নিরাপদ রাখতে পারে-

ব্যবহার না করলে ব্লুটুথ বন্ধ রাখা উচিত। ডিভাইসকে নন-ডিসকভারেবল বা লুকানো অবস্থায় রাখলে অনাকাঙ্ক্ষিত সংযোগের ঝুঁকি কমে যায়। এছাড়া অচেনা কোনো ডিভাইসের সঙ্গে কানেক্ট না করাই নিরাপদ। ফোনের সফটওয়্যার নিয়মিত আপডেট রাখলে নিরাপত্তা ত্রুটি অনেকাংশে কমে আসে। পাশাপাশি পাবলিক স্থানে ব্লুটুথ ব্যবহার করার সময় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা