• বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন

রেকর্ড ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার বাজেট আসছে

Reporter Name / ৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬

নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এবার প্রায় ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার বড় বাজেট দিতে যাচ্ছে বিএনপি সরকার। এ জন্য অর্থের যোগান দিতে আগামী অর্থবছরের বাজেটে আয়ের লক্ষ্য ধরা হচ্ছে প্রায় ৭ লাখ কোটি টাকা। যার বেশিরভাগই আদায় করে দেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আয় বাড়াতে এবং করফাঁকি রোধে রাজস্ব খাতকে পুরোপুরি ডিজিটাল করার পরিকল্পনা সরকারের।

নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এবার প্রায় ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার বড় বাজেট দিতে যাচ্ছে বিএনপি সরকার। এ জন্য অর্থের যোগান দিতে আগামী অর্থবছরের বাজেটে আয়ের লক্ষ্য ধরা হচ্ছে প্রায় ৭ লাখ কোটি টাকা। যার বেশিরভাগই আদায় করে দেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আয় বাড়াতে এবং করফাঁকি রোধে রাজস্ব খাতকে পুরোপুরি ডিজিটাল করার পরিকল্পনা সরকারের।

আসছে বাজেটে নির্বাচনী ইশতেহারে দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ওপর জোর দিচ্ছে বর্তমান সরকার। উন্নয়ন ব্যয়, সামাজিক নিরাপত্তা ও ঋণ পরিশোধের চাপ সামাল দিতে সরকারের আরও বেশি আয়ের প্রয়োজন।

ব্যয় সামাল দিতে সবচেয়ে বেশি আয় করতে হয় এনবিআরকে। আর বাকি টাকা আসে এনবিআর বহির্ভূত বিভিন্ন উৎস থেকে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রাও ঠিক করা হচ্ছে। এর মধ্যে এনবিআর বহির্ভূত উৎস থেকে ৯১ হাজার কোটি টাকা আদায় করা হবে।

মোট রাজস্ব লক্ষ্যের মধ্যে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা আদায়ের পরিকল্পনা এনবিআরের। রাজস্ব বোর্ড সবচেয়ে বেশি আদায় করবে আয়কর ও ভ্যাট থেকে ৪ লাখ ৪৬,৯৬০ কোটি টাকা। আর কাস্টমস আদায় করে দেবে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৪০ কোটি টাকা।

পরিচালন ও উন্নয়ন ব্যয় মেটাতে ঋণ নির্ভরতা কমিয়ে আয় বাড়াতে চায় সরকার। এজন্য কর জাল বৃদ্ধি ও এনবিআরকে ডিজিটালাইজেশনের ওপর জোর দেওয়ার কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, এই করের অর্থ হচ্ছে নাগরিক সেবা। অথ্যাৎ চিকিৎসা খাত, শিক্ষা খাত, সামাজিক সুরক্ষা বলয়ে ব্যবহৃত হচ্ছে। কর অব্যাহতি, কর ফাঁকির সংস্কৃতি থেকে বেড়িয়ে আসতে হবে। সে জন্য আমরা ডিজিটালি বিভিন্ন ব্যবস্থার দিকে যাচ্ছি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, লক্ষ্যমাত্রা পূরণে কর ছাড় নয়, আওতা বাড়াতে গুরুত্ব দিতে হবে। নির্ভরতা কমাতে হবে পরোক্ষ করের ওপর।

সিপিডির জ্যেষ্ঠ গবেষক তৌফিকুল ইসলাম খান বলেন, একটা তো হলো যে কর ফাঁকি আছে, সেইটা আমরা কমিয়ে আনব। তাহলে এটা আনা সম্ভব। কৌশলগত দিক থেকে উনারা চাইবেন যে করের ছাড় বা কিছু কমানো, সেটাও আমরা বলেছি যে কোন কোন জায়গা সেটা করতে পারেন। আরেকটি বড় বিষয় হলো যে সংস্কারগুলো করা হবে কিনা। সেইটাকে আগায় নেওয়া।

এদিকে চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে শুল্ক কর আদায়ে ঘাটতি ১ লাখ ৪ হাজার ৫৩৩ কোটি টাকা, যা অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় রেকর্ড।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা