• সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৮ অপরাহ্ন
Headline
ফেনীতে হারানো ৫০ মোবাইল ফোন উদ্ধার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ ২১ জানুয়ারি আত্মগোপনেই মারা গেলেন গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফেনীতে অধিকার’র ৩২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর মতবিনিময় সভা ৪৭ বছর পর ফিরছে ‘গ্রাম সরকার’ পরশুরামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৯ দোকান পুডে ছাই-ক্ষতি প্রায় ২ কোটি টাকা আশুলিয়ার ঝুট গোডাউনে আগুন, ছড়িয়ে পড়ছে বাসাবাড়িতে ৭০০ রিকশার মালিকানা নিয়ে জবাব দিলেন গোলাম পরওয়ার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে চার মানদণ্ডে প্রার্থী বাছাই করবে বিএনপি; ঝুঁকি এড়াতে প্রস্তুত রাখবে বিকল্প প্রার্থী ডিমের উৎপাদন বাড়লেও ন্যায্যমূল্য নেই খামারির-বিশ্ব ডিম দিবস আজ

এফআইআর হলে প্রত্যাহারের সুযোগ নেই: হাইকোর্ট

Reporter Name / ৪০৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬

নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগে জড়িত থাকার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) রাহিদ খান পাভেলকে মারধরের ঘটনায় এফআইআর প্রত্যাহার কেন অবৈধ নয়, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি ভীষ্ম দেব চক্রবর্তীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার (১২ মে) এ রুল জারি করেন।

এ সময় হাইকোর্ট নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের মামলার এজাহার প্রসঙ্গ তুলে আনা হয়। হাইকোর্ট বলেন, একবার এফআইআর হয়ে গেলে সেটি আর প্রত্যাহারের সুযোগ নেই।

ভুক্তভোগী রাহিদ খান পাভেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের আবাসিক ছাত্র। নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে তাকে মারধর করা হয়। পরে তাকে শাহবাগ থানার সামনে ফেলে রেখে যায় অভিযুক্তরা। রাহিদ অভিযোগ করেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা তাকে মারধর করেছিলেন।

রাহিদ সে সময় বলেন, ‘ওরা আমার মাথায়, হাতে, পুরো শরীরে ইট, বেল্ট, মোটরসাইকেলের লক দিয়ে মেরেছে। শুরুতে এসএম হলের সামনে, এরপর ভিসি চত্বরের সামনে রিকশা থেকে নামিয়ে মেরেছে। কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির সামনে এবং শাহবাগ থানার সামনে আমাকে ফেলে যাচ্ছেতাই-ভাবে মেরেছে। থানার ভেতর যখন ওরা আমাকে মেরেছে, তখন পুলিশ আমাকে সেভ করেছে।’

রাহিদ অভিযোগ করেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হাসিব আল ইসলাম, মো. সাইফুল্লাহ, সরদার নাদিম মোহাম্মদ শুভ, আবরারসহ আরও কয়েকজন তাকে মারধর করেছেন।

তবে রাহিদ ছাত্রলীগের কোনো কমিটিতে ছিলেন কি না, সেটা নিশ্চিত করে জানাতে পারেনি অভিযোগকারীরা।

পরে শিক্ষার্থী রাহিদ খান পাভেলের মা শাহবাগ থানায় এজাহার দায়ের করেন। এজাহারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ জন শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখসহ আরও ১০-১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছিল। তবে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে অভিযোগটি প্রত্যাহার করে নেন রাহিদের মা। ঠিক কী কারণে বা কোন পরিস্থিতিতে অভিযোগটি প্রত্যাহার করা হয় সে বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কোনো তথ্য জানানো হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা