• শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন
Headline
জিলহজের প্রথম ১০ দিনের বিশেষ আমল: কোরবানির আগে কেন চুল-নখ কাটবেন না? শাড়িতে স্নিগ্ধতা ছড়ালেন তানজিকা আমিন আমেরিকার সঙ্গে চুক্তির সময় অন্তর্বর্তী সরকার জামায়াতকে কিছুই জানায়নি: রংপুরে শফিকুর রহমান ঐক্যের ডাক দিলেন মোজতবা খামেনি এনসিপিতে বিলুপ্ত হচ্ছে মুখ্য সংগঠক-সমন্বয়ক ও মুখপাত্রের পদ সরকারি ফি ১১৭০, ভূমি অফিসে নেওয়া হচ্ছে ৫ হাজার টাকা দাওয়াত না দিয়ে গোপনে বিয়ে, প্রতিবাদে বন্ধুদের বিক্ষোভ মিছিল বিএনপি-জামায়াতের দূরত্ব সংঘাতে রূপ নিলে লাভবান হবে আওয়ামীলীগ-মঞ্জু কিস্তির টাকা জোগাড় করতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ ভ্রমণের তালিকায় রাখুন বছর সেরা ১০ সবুজ শহর

সরকারি ফি ১১৭০, ভূমি অফিসে নেওয়া হচ্ছে ৫ হাজার টাকা

Reporter Name / ১ Time View
Update : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

ভোলার লালমোহন উপজেলার গজারিয়া পশ্চিম চরউমেদ ভূমি অফিসে নামজারি ও খাজনা আদায়ে ব্যাপক অনিয়ম এবং অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সেবা প্রার্থীদের দাবি, সরকারি নির্ধারিত ফির তোয়াক্কা না করে অতিরিক্ত টাকা ছাড়া এই অফিসে কোনো কাজই সম্পন্ন হচ্ছে না।

গত বুধবার (১৩ মে) গজারিয়া পশ্চিম চরউমেদ ভূমি অফিসে সরেজমিনে গিয়ে গোপন ক্যামেরায় নানা অনিয়মের চিত্র ধারণ করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, অফিসের তহসিলদার রাবেয়া খাতুন টাকা ছাড়া কোনো ফাইলে হাত দেন না। আর সেবা প্রার্থীদের কাছ থেকে এই অর্থ আদায়ের মূল দায়িত্ব পালন করছেন নূর মোহাম্মদ নামের এক কম্পিউটার অপারেটর। তিনি অফিসে বসেই নিজের ল্যাপটপ ব্যবহার করে বিভিন্ন আবেদনের নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন, যার একটি বড় অংশ তহসিলদারের কাছে যায় বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন। এছাড়া অফিস সহকারী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন সহায়তার নামে আলাদাভাবে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, প্রতিটি নামজারির জন্য যেখানে সরকারি নির্ধারিত ফি মাত্র ১ হাজার ১৭০ টাকা, সেখানে এই অফিসে নেওয়া হচ্ছে ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত। খাজনা পরিশোধের ক্ষেত্রেও দিতে হচ্ছে বাড়তি অর্থ। টাকা না দিলে মাসের পর মাস ঘোরানো হয় কিংবা বিভিন্ন অজুহাতে অফিস থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়।

নামজারি করতে আসা আবুল কালাম নামে এক ব্যক্তি জানান, দুটি নামজারির জন্য তার কাছে ১২ হাজার টাকা দাবি করা হয়, যার মধ্যে একটির জন্য তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ৫ হাজার টাকা দিয়েছেন। পাশাপাশি কম্পিউটার অপারেটর নূর মোহাম্মদও তার কাছ থেকে অতিরিক্ত ৫০০ টাকা নিয়েছেন।

অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সাধারণ সেবা প্রার্থীর পরিচয়ে নামজারির খরচ জানতে যান এনটিভি অনলাইনের সাংবাদিক। এসময় ৫ একর জমির নামজারির জন্য তহসিলদার রাবেয়া খাতুন নিজে সরাসরি ৬ হাজার টাকা দাবি করেন।

তবে পরবর্তীতে গণমাধ্যমের পরিচয় দিয়ে অতিরিক্ত টাকা দাবির বিষয়ে জানতে চাইলে তহসিলদার রাবেয়া খাতুন অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, সরকারি ফির বাইরে কোনো বাড়তি টাকা নেওয়া হয় না।

এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেজওয়ানুল হক জানান, ভূমি অফিসে সরকারি ফির বাইরে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এই অনিয়মের বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সুত্র:এনটিভি,ইসরাফিল নাঈম,ভোলা (লালমোহন-চরফ্যাশন)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা