• শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২১ অপরাহ্ন
Headline
বিরোধীদল নয় দিল্লির সঙ্গে সরকার নিজেই আঁতাত করছে: গোলাম পরওয়ার জমির মালিকানা দাবিতে প্রমাণ না থাকলে মিলবে না অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: হাইকোর্ট স্ত্রীকে আদালতে যেতে বাধ্য করলে ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারবে আদালত কৃষক কার্ডের মাধ্যমে জানতে পারবেন আগামীকাল বৃষ্টি হবে কি না: প্রধানমন্ত্রী আল্লাহর কাছে প্রিয় যে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ নেক আমল তা কি কি? নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের দাবি জামায়াতের এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটিতে ফেনীর নুর নবী নয়ন ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯২০ বর্তমান সরকারের মেয়াদে আগারগাঁওয়ে স্থানান্তার হবে সচিবালয়: গণপূর্তমন্ত্রী

ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের সাত দফার সঙ্গে নীতিগত একমত গভর্নর

Reporter Name / ১৭৮ Time View
Update : বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর মোস্তাকুর রহমান ‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের’ উত্থাপিত সাত দফা দাবির সঙ্গে নীতিগতভাবে একমত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা।

বুধবার (১৭ জুন) সকালে রাজধানীর মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান প্রফেসর নুর নবী মানিক। তিনি বলেন, মঙ্গলবার (১৬ জুন) ব্যাংকের ভুক্তভোগী শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকদের পক্ষ থেকে সাত দফা দাবিসংবলিত স্মারকলিপি দেওয়ার পর বিষয়টি ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে গভর্নর বৈঠকের উদ্যোগ নেন।

নুর নবী মানিক জানান, বৈঠকে গভর্নর দাবিগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং নীতিগতভাবে একমত পোষণ করেন। এ সময় ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের পক্ষ থেকে গভর্নরকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

তিনি আরও বলেন, আমাদের স্পষ্ট দাবি হলো— যারা আর্থিক অনিয়ম বা কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত, তারা কোনোভাবেই ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান বা পরিচালনা পর্ষদে থাকতে পারবেন না। পাশাপাশি ব্যাংকের বোর্ড হবে নৈতিক, পেশাদার এবং দলনিরপেক্ষ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সাত দফা দাবির আলোকে নতুন পর্ষদ গঠিত হলে ইসলামী ব্যাংকের প্রতি গ্রাহক আস্থা আরও শক্তিশালী হবে এবং ব্যাংকের স্থিতিশীলতা ফিরবে।

ফোরামের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, দাবি বাস্তবায়িত হলে তারা সারাদেশে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিয়ে ব্যাংকের পুনর্গঠন ও অগ্রযাত্রায় সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

সংগঠনটির সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে— স্বাধীন ও যোগ্য পরিচালনা পর্ষদ গঠন, ২০১৭ সালে শেয়ার মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে প্রকৃত মালিকদের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া, ব্যাংক লুটের অভিযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা, লুণ্ঠিত অর্থ উদ্ধার এবং সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা।

এছাড়া ব্যাংক খাতে অস্থিরতা ও আতঙ্ক দূর করতে বিতর্কিত সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকা, ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১৮/ক ধারা সংশোধন, এবং ব্যাংক সংক্রান্ত বিভ্রান্তিকর রাজনৈতিক বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিও রয়েছে ওই সাত দফায়।

বৈঠকের বিষয়ে মোস্তাকুর রহমানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনও বিস্তারিত বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা