• সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৭ অপরাহ্ন
Headline
ফেনীতে হারানো ৫০ মোবাইল ফোন উদ্ধার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ ২১ জানুয়ারি আত্মগোপনেই মারা গেলেন গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফেনীতে অধিকার’র ৩২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর মতবিনিময় সভা ৪৭ বছর পর ফিরছে ‘গ্রাম সরকার’ পরশুরামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৯ দোকান পুডে ছাই-ক্ষতি প্রায় ২ কোটি টাকা আশুলিয়ার ঝুট গোডাউনে আগুন, ছড়িয়ে পড়ছে বাসাবাড়িতে ৭০০ রিকশার মালিকানা নিয়ে জবাব দিলেন গোলাম পরওয়ার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে চার মানদণ্ডে প্রার্থী বাছাই করবে বিএনপি; ঝুঁকি এড়াতে প্রস্তুত রাখবে বিকল্প প্রার্থী ডিমের উৎপাদন বাড়লেও ন্যায্যমূল্য নেই খামারির-বিশ্ব ডিম দিবস আজ

ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের সাত দফার সঙ্গে নীতিগত একমত গভর্নর

Reporter Name / ১৫৫ Time View
Update : বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর মোস্তাকুর রহমান ‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের’ উত্থাপিত সাত দফা দাবির সঙ্গে নীতিগতভাবে একমত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা।

বুধবার (১৭ জুন) সকালে রাজধানীর মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান প্রফেসর নুর নবী মানিক। তিনি বলেন, মঙ্গলবার (১৬ জুন) ব্যাংকের ভুক্তভোগী শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকদের পক্ষ থেকে সাত দফা দাবিসংবলিত স্মারকলিপি দেওয়ার পর বিষয়টি ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে গভর্নর বৈঠকের উদ্যোগ নেন।

নুর নবী মানিক জানান, বৈঠকে গভর্নর দাবিগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং নীতিগতভাবে একমত পোষণ করেন। এ সময় ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের পক্ষ থেকে গভর্নরকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

তিনি আরও বলেন, আমাদের স্পষ্ট দাবি হলো— যারা আর্থিক অনিয়ম বা কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত, তারা কোনোভাবেই ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান বা পরিচালনা পর্ষদে থাকতে পারবেন না। পাশাপাশি ব্যাংকের বোর্ড হবে নৈতিক, পেশাদার এবং দলনিরপেক্ষ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সাত দফা দাবির আলোকে নতুন পর্ষদ গঠিত হলে ইসলামী ব্যাংকের প্রতি গ্রাহক আস্থা আরও শক্তিশালী হবে এবং ব্যাংকের স্থিতিশীলতা ফিরবে।

ফোরামের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, দাবি বাস্তবায়িত হলে তারা সারাদেশে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিয়ে ব্যাংকের পুনর্গঠন ও অগ্রযাত্রায় সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

সংগঠনটির সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে— স্বাধীন ও যোগ্য পরিচালনা পর্ষদ গঠন, ২০১৭ সালে শেয়ার মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে প্রকৃত মালিকদের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া, ব্যাংক লুটের অভিযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা, লুণ্ঠিত অর্থ উদ্ধার এবং সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা।

এছাড়া ব্যাংক খাতে অস্থিরতা ও আতঙ্ক দূর করতে বিতর্কিত সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকা, ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১৮/ক ধারা সংশোধন, এবং ব্যাংক সংক্রান্ত বিভ্রান্তিকর রাজনৈতিক বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিও রয়েছে ওই সাত দফায়।

বৈঠকের বিষয়ে মোস্তাকুর রহমানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনও বিস্তারিত বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা