• মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৬:১৭ পূর্বাহ্ন
Headline
ডিজিটাল মাধ্যমে মাদক বেচাকেনার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, সংসদে বিল পাস সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই ৮৬ হাজার নামজারি আটকে সফটওয়্যার বিড়ম্বনায় শোষন ও লুটপাট করে যারা পালিয়ে যায় দেশের সেসব শত্রুদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াই চলবে: এবি পার্টি সম্ভাব্য বন্যা মোকাবিলায় প্রস্তুত ফেনী, খোলা হয়েছে ২২৪ আশ্রয়কেন্দ্র আপিল বিভাগের রায়ে সংবিধানে ফিরল গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সরকারি খাস জমি অবৈধ দখলমুক্ত করা হবে : ভূমিমন্ত্রী সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে আইন সংশোধনের প্রস্তাব বিতর্কিত গোলে ইতিহাস গড়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা ভুমি কর্মকর্তার ‘ঘুষ’ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল

ডিজিটাল মাধ্যমে মাদক বেচাকেনার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, সংসদে বিল পাস

Reporter Name / ৩৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬

সাইবার স্পেস বা যেকোনো ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে মাদকদ্রব্য কেনাবেচা, সরবরাহ ও আর্থিক লেনদেনের সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে জাতীয় সংসদে একটি সংশোধনী বিল পাস হয়েছে। সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল’ পাসের জন্য উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে অনুমোদন পায়। নতুন এই সংশোধনীতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে (ডিএনসি) আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার পাশাপাশি আলাদা ট্রাইব্যুনাল গঠনেরও সুযোগ রাখা হয়েছে।

বিদ্যমান আইনে সরাসরি মাদক উৎপাদন, বিক্রি ও সেবনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান চালু রয়েছে। তবে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সংঘটিত মাদক অপরাধ দমনে এবার আইনে নতুন ধারা যুক্ত করা হলো।

পাস হওয়া বিল অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক মাধ্যম ব্যবহার করে মাদক বা নেশাজাতীয় দ্রব্যের প্রচার, ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ বা মধ্যস্থতা করা এখন থেকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। এ ধরনের অপরাধে ডিজিটাল পেমেন্ট, ই-ওয়ালেট এমনকি ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ভার্চুয়াল সম্পদের ব্যবহারও শাস্তিমূলক অপরাধের আওতায় পড়বে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, সাইবার মাধ্যমে সংঘটিত এসব অপরাধের ক্ষেত্রে আসামির কাছ থেকে সরাসরি মাদক উদ্ধার হওয়া বাধ্যতামূলক নয়।

অপরাধ প্রমাণিত হলে দোষী ব্যক্তিকে যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি রাখা হয়েছে অনূর্ধ্ব ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান। তবে এই অপরাধ যদি কোনো আন্তর্জাতিক বা সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে ঘটে, সেক্ষেত্রে আসামিদের যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার কথা বলা হয়েছে।

ডিজিটাল অপরাধ দমনের পাশাপাশি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সক্ষমতা বাড়াতেও এই বিলে গুরুত্বপূর্ণ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে সংস্থাটি তাদের নিজস্ব ডগ স্কোয়াড গঠন করতে পারবে এবং তাদের অনুকূলে আগ্নেয়াস্ত্রের প্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সাধারণ আদালতের এখতিয়ার বহাল রেখে মাদকপ্রবণ এলাকাগুলোতে মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে পৃথক ‘মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল’ প্রতিষ্ঠার বিধানও নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে।

সোমবার বিলটি পাসের আগে জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব দেওয়া হলেও তা নিষ্পত্তি করে দেওয়া হয়। বিলের ওপর আলোচনাকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছু সদস্যের মাদক কারবারে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগের বিষয়টি উঠে আসে।

এর জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদকে আশ্বস্ত করে বলেন, ‘মাদকদ্রব্য কেনাবেচায় বাহিনীর কোনো সদস্য জড়িত থাকলে এ ক্ষেত্রে কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা