• সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৪ অপরাহ্ন
Headline
দাগনভূঞায় বটি দিয়ে কুপিয়ে মাকে খুন, মেয়ে আটক আওয়ামী লীগকে ফেরাতে যা করা দরকার, তাই করছে বিএনপি : নাহিদ দৈনিক জনপদ বার্তার ডিক্লারেশন পেলেন জসিম ফরায়েজী ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন আজ গোপালগঞ্জে পলাতক অবস্থায় সাঈদীর মামলার বাদীর মৃত্যু, দাফন ঘিরে উত্তেজনা গণভোটের রায় মানলে অনেক সংকটের সমাধান হতো: শফিকুর রহমান বিরোধীদল নয় দিল্লির সঙ্গে সরকার নিজেই আঁতাত করছে: গোলাম পরওয়ার জমির মালিকানা দাবিতে প্রমাণ না থাকলে মিলবে না অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: হাইকোর্ট স্ত্রীকে আদালতে যেতে বাধ্য করলে ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারবে আদালত কৃষক কার্ডের মাধ্যমে জানতে পারবেন আগামীকাল বৃষ্টি হবে কি না: প্রধানমন্ত্রী

তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী আজ

Reporter Name / ২০০ Time View
Update : সোমবার, ১ জুন, ২০২৬

দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার ৫৭তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ১ জুন। ১৯৬৯ সালের এ দিনে প্রাতিষ্ঠানিক কাজে পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে গিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি।

১৯১১ সালে পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া গ্রামে মানিক মিয়ার জন্ম। বরিশালের ব্রজমোহন কলেজ থেকে ১৯৩৫ সালে বিএ পাস করে পিরোজপুর মহকুমা হাকিমের আদালতে সহকারী হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু হয়।

১৯৪৭ সালে হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দী কর্তৃক কলকাতা থেকে প্রকাশিত দৈনিক ইত্তেহাদ পত্রিকার পরিচালনা বোর্ডের সেক্রেটারি পদে যোগ দেন তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া। ১৯৪৮ সালে পত্রিকাটি বন্ধ হয়ে গেলে তিনি ঢাকায় চলে আসেন এবং সাপ্তাহিক ইত্তেফাকের সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯৫৩ সালে তার সম্পাদনায় সাপ্তাহিক ইত্তেফাক ‘দৈনিক ইত্তেফাক’-এ রূপান্তরিত হয়।

মানিক মিয়ার সম্পাদনায় দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা আইয়ুব খানের সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সামরিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১৯৫৯ সালে তিনি এক বছর কারাভোগ করেন। ১৯৬৬ সালে তিনি আবারও গ্রেপ্তার হন। এ সময় দৈনিক ইত্তেফাকের প্রকাশনা নিষিদ্ধ এবং নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস বাজেয়াপ্ত করা হয়।

ফলে তার প্রতিষ্ঠিত অন্য দুটি পত্রিকা ঢাকা টাইমস ও পূর্বাণী বন্ধ হয়ে যায়। গণ-আন্দোলনের মুখে সরকার ইত্তেফাকের ওপর বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়। ফলে ১৯৬৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি পত্রিকাটি ফের প্রকাশিত হয়।

‘রাজনৈতিক ধোঁকাবাজি’, ‘রাজনৈতিক মঞ্চ’ আর ‘রঙ্গমঞ্চ’ শিরোনামে কলাম লিখে বাংলাদেশের মানুষকে স্বাধীনতাকামী করে তোলেন মানিক মিয়া। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণ ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সৃষ্টির লক্ষ্যে তিনি আমৃত্যু নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা