• মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ন
Headline
ভুমি কর্মকর্তার ‘ঘুষ’ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল মিশরের গোলের পর মেসির পেনাল্টি মিস প্রফেসর আবুল কাসেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে এবি পার্টির গভীর শোক ও সমবেদনা দিল্লিতে আওয়ামী লীগের দাফন হয়ে গেছে, তারা আর দেশে রাজনীতি করতে পারবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জোর করে ব্যবসায়ীর কাছ থেকে চেক সইয়ের অভিযোগ সরকার নির্ধারিত দামে মিলছে না এলপিজি, বাড়তি গুনতে হচ্ছে ৩০০ টাকা পর্যন্ত জুনে রাজনৈতিক সহিংসতা ও মবে নিহত ৪০ কাগজে শেষ প্রকল্প, সড়ক রইল আগের মতোই নরওয়েকে হারালে কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ কে? গবেষণা, নন্দনতত্ত্ব ও শিল্প-প্রয়োগের সমন্বয়ে এক প্যাকেজিং ডিজাইনারের যাত্রা

১৬ মাসে ৫৮০ শিশু ধ-র্ষিত, ৪৮৩ জনকে হ-ত্যা

Reporter Name / ১২৭ Time View
Update : শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬

গত ১৬ মাসে দেশে অন্তত ৫৮০টি শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে, হত্যা করা হয়েছে ৪৮৩ জনকে। এই সময়ে আরও অন্তত ৩১৮ জন যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এইচআরএসএস’র সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত দেশে অন্তত ১ হাজার ৮৯০ জন শিশু ও কিশোরী নির্যাতনের শিকার হয়েছে।

এর মধ্যে ৪৮৩ জন শিশু নিহত এবং ১ হাজার ৪০৭ জন শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। একই সময়ে ৫৮০ জন শিশু ধর্ষণ এবং ৩১৮ জন যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

বিবৃতিতে অবিলম্বে সব শিশু হত্যা ও ধর্ষণের ঘটনার দ্রুত, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। একইসঙ্গে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের যথাযথ প্রয়োগ, ভুক্তভোগী পরিবারকে নিরাপত্তা, বিনামূল্যে আইনি সহায়তা, ক্ষতিপূরণ, চিকিৎসা ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।

এইচআরএসএস বলেছে, শিশু হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতনের মতো সহিংসতা প্রতিরোধ করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও আইনগত দায়িত্ব। কিন্তু ধারাবাহিক এসব ঘটনা প্রমাণ করে যে শিশু সুরক্ষায় বিদ্যমান ব্যবস্থা যথেষ্ট কার্যকর নয়। পাশাপাশি বিচারহীনতার সংস্কৃতি, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া এবং দুর্বল আইন প্রয়োগ পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ৭ বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

এ ছাড়া গত ১৬ মে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের চান্দের চর গ্রামের মদিনাপাড়ায় আছিয়া আক্তার (১০) নামে এক শিশুকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।

এর আগে ১৪ মে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ধর্ষণের পর লামিয়া আক্তার নামে চার বছরের এক শিশুকে হত্যা করা হয়। নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর স্থানীয় একটি ভুট্টাক্ষেত থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

৬ মে সিলেট সদর উপজেলার জালালাবাদ এলাকায় চার বছরের শিশু ফাহিমা আক্তারকে ধর্ষণচেষ্টার পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, প্রতিনিয়ত দেশের বিভিন্ন স্থানে শিশু হত্যা, ধর্ষণ, ধর্ষণের পর হত্যা ও নির্যাতনের মতো ভয়াবহ ঘটনা ঘটছে। শিশুদের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে শুধু আইন প্রয়োগ নয়, সামাজিক প্রতিরোধ ও মানবিক মূল্যবোধের পুনর্জাগরণও জরুরি।

এ জন্য সরকার, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম, সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ নাগরিকদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

সুত্র: বাংলানিউজ২৪.কম


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা