• মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২:৫২ পূর্বাহ্ন

শুভ জন্মদিন কাজী নজরুল ইসলাম

Reporter Name / ৩৩ Time View
Update : সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬

বাংলা ক্যালেন্ডারের হিসাবে গানের বুলবুল আর বাংলা কবিতায় দ্রোহের প্রতীক কাজী নজরুল ইসলামের ১২৩তম জন্মবার্ষিকী আজ।

আমাদের জাতীয় কবি- কণ্ঠশিল্পী, অভিনেতা, সম্পাদক পরিচয়ের আড়ালে লুকিয়ে থাকা অভিমানী হৃদয় দিয়ে অনুভব করেছিলেন নিপীড়িত-অসহায়ের আর্তি। অন্যায়ের বিরুদ্ধে তার কবিতা কোটি তরুণের রক্তে জ্বালায় স্ফুলিঙ্গ। উপন্যাস, নাটক, সঙ্গীত আর দর্শনেও নজরুলের অনবদ্য উপস্থিতি বর্ণাঢ্য করেছে বাংলা সাহিত্যকে।

সৃষ্টিশীল এক অনন্য প্রতিভার নাম, কাজী নজরুল ইসলাম। যিনি একাধারে কবি, সাহিত্যিক, গীতিকার, নাট্যকার, চলচ্চিত্র অভিনেতা। শিল্পকলার নানান শাখায় ছিল তার অবাধ স্বচ্ছন্দ বিচরণ।

ক্ষণজন্মা এ প্রতিভার জন্ম, ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোলের চুরুলিয়া গ্রামে। শৈশব-কৈশোর কিংবা তারুণ্য, জীবনের পরতে পরতে তার সংগ্রাম। জীবনের বিভিন্ন সময়ে জড়িয়েছিলেন নানা পেশায়। ১৯১৭ সালে যোগ দেন সেনাবাহিনীতে। অংশ নেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধেও।

তৎকালীন প্রভাবশালী কবি-সাহিত্যিকদের সংস্পর্শে আসেন তিনি। ১৯২২ সালে প্রকাশ করেন ধূমকেতু পত্রিকা। ব্রিটিশ শাসকদের চক্ষুশূল তো ছিলেন শুরু থেকেই এরপর “আনন্দময়ীর আগমনে” কবিতার জন্য নজরুলকে দেয়া হয় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড। মাত্র ২২ বছর ব্যাপ্তির লেখক জীবনে তিনি রচনা করেন প্রায় ৩ হাজার গান, লিখেছেন অসংখ্য কবিতা, ছোটগল্প, উপন্যাস।

সাহিত্যের পাশাপাশি সংগীত ও চলচ্চিত্রে, পরিচালনা করেন। তার পরিচালিত চলচ্চিত্র “ধ্রুব”তে অভিনয়ও করেন। তাই তো শুধু কবি পরিচয়েই আবদ্ধ নন নজরুল। বেধেছেন সুরের মায়াজাল; করেছেন অভিনয়, সম্পাদনা করেছেন পত্রিকা। আসানসোলের রুটি বানানো ছেলেটা এখনও বিশাল এক প্রতিষ্ঠান। না থেকেও যার উপস্থিতি প্রতিদিন।

১৯৭২ সালে কবি নজরুলকে সপরিবারে নিয়ে আসা হয় স্বাধীন বাংলাদেশে। এরপর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশেই ছিলেন। ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট তৎকালীন পিজি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। কবির ইচ্ছানুসারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে তাকে সমাধিস্থ করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা