আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ফেনী সদর উপজেলার শর্শদি ইউনিয়নে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। ইউনিয়নটির সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে দক্ষিন শর্শদি ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ঐতিহ্যবাহী কাজী বংশীয় কৃতি সন্তান বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী কাজী ওমর ফারুকের নাম এখন এলাকাবাসীর মুখে মুখে।
দীর্ঘদিন ধরে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এলাকার বিভিন্ন সামাজিক ও শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে তাকে নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। কাজী ওমর ফারুক পিতা কাজী আব্দুল মতিন।
কাজী ফারুক এলাকায় একজন সজ্জন ও নিষ্ঠাবান ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। তিনি সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে মনে করেন এলাকাবাসী। ২০২৪ এর বন্যাসহ বিভিন্ন দুর্যোগে তিনি এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
স্থানীয় ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা এবার এমন একজন যোগ্য ও শিক্ষিত প্রতিনিধি চান যিনি ইউনিয়নের সামগ্রিক উন্নয়ন ও সামাজিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে পারবেন। সেই হিসেবে কাজী ফারুককে তারা একজন শক্তিশালী ও যোগ্য প্রার্থী বলে মনে করছেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন তিনি। ফেসবুকে ছবি পোষ্ট দিয়ে শাহাদাত নামে একজন লিখেছেন, সততা, নিষ্ঠা ও জনকল্যাণমুখী কাজের অনেক দৃষ্টান্ত ও সুনাম রয়েছে উনার! সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা এবং সকল প্রকার নাগরিক সুবিধা মানুষের দোরগোড়ায় স্বচ্ছতার ভিত্তিতে পৌঁছে দিতে চেয়ারম্যান হিসেবে জনগন তাকে চায়।
জোবাইর নামের একজন লিখেছেন, এরকম সৎ ব্যক্তিরা এলাকার চেয়ারম্যান হওয়া খুবই জরুরী
এমদাদ নামে একজন লিখেছেন, নাগরিকের সমঅধিকার ও সুষম বণ্টন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে, একটি আধুনিক, মডেল ইউনিয়ন গড়তে এবং নিপীড়িত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ্য কাজী ফারুক ভাই।
নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া প্রসঙ্গে কাজী ওমর ফারুক বলেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শর্শদি ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসাবে আপনারা আমাকে চাচ্ছেন। আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসা আছে। আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসাই আমার এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা।
তিনি ইউনিয়নের উন্নয়নে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ব্যক্ত করেছেন। তার মূল অঙ্গীকারগুলোর মধ্যে রয়েছে- যৌতুক ও মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া। সালিশ বাণিজ্যের বিরুদ্ধে আইনি ভাবে জিহাদ ঘোষণা করা। ভেঙে পড়া সমাজ ব্যবস্থাকে স্বাভাবিক নিয়মে ফিরিয়ে আনা। দলীয় বিবেচনা না করে সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা। বাল্যবিবাহ বন্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা। শিক্ষার মানোন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখা। গরীব, অসহায় ও দুস্থদের মাঝে সরকারি অনুদানহ সঠিকভাবে বণ্টন করা। বিধবা ভাতা ও বয়স্ক ভাতাসহ সকল নাগরিক সুবিধার যথাযথ তালিকা প্রস্তুত করে তা নিশ্চিত করা