• সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন
Headline
১৮ রাষ্ট্রপ্রধানের ৭ জনের বিদায় পদত্যাগে জিয়া হত্যা/সেনানিবাসে নেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই গুলি করে হত্যা করা হয় জেনারেল মঞ্জুরকে জিয়া হত্যা /সামনে পথ বন্ধ, ধরা পড়তেই হবে এমপির আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল: প্রতিবাদে দুধ দিয়ে গোসল করে জামায়াত ছাড়লেন কর্মী আদালত চলাকালে পেপারওয়েট ছুড়ে আইনজীবীর মাথা ফাটালেন বিচারক এমপিওভুক্ত শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিক, ঋণখেলাপিরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না: ইসি আশুগঞ্জে খাল পুনঃখনন শেষে সরকারি কোষাগারে ফেরত গেল ৬৪ লাখ টাকা মুদ্রাস্ফীতির শঙ্কায় কমল স্বর্ণের দাম জিয়া হত্যা /মঞ্জুর নিজের কাঁধ থেকে ব্যাজ খুলে ফেললেন, স্টার্ট নিল গাড়িটা আন্দোলন শরিক নেতাদের কাছে দুঃখপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর
/ বিশেষ সংবাদ
“আহ্সান সাহেবকেও পদত্যাগ করতে হয়েছে, এটা ছিল আরও বিচিত্র, পৃথিবীর ইতিহাসে এমন নজির ছিল না,” বলেন সাবেক সচিব আব্দুল আউয়াল মজুমদার। আওয়ামী লীগ আমলে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তিন বছর read more
১৯৮১ সালের ৩০ মে, সেনাবাহিনীর কতিপয় সদস্যের হাতে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান নিহত হন। বহুল আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কাহিনি তখন পর্যন্ত ছিল গোপনীয়তার আবরণে ঢাকা। বিভিন্ন সূত্র থেকে
ফ্যাসিস্ট সরকারবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেওয়া শরিক দলগুলোর নেতাদের সম্মানে আয়োজিত এক নৈশভোজে আন্দোলনের শরিকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন একসঙ্গে বসার সুযোগ না হওয়ায়
১৯৮১ সালের ৩০ মে, সেনাবাহিনীর কতিপয় সদস্যের হাতে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান নিহত হন। বহুল আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কাহিনি তখন পর্যন্ত ছিল গোপনীয়তার আবরণে ঢাকা। বিভিন্ন সূত্র থেকে
১৯৮১ সালের ৩০ মে, সেনাবাহিনীর কতিপয় সদস্যের হাতে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান নিহত হন। বহুল আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কাহিনি তখন পর্যন্ত ছিল গোপনীয়তার আবরণে ঢাকা। বিভিন্ন সূত্র থেকে
১৯৮১ সালের ৩০ মে, সেনাবাহিনীর কতিপয় সদস্যের হাতে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান নিহত হন। বহুল আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কাহিনি তখন পর্যন্ত ছিল গোপনীয়তার আবরণে ঢাকা। বিভিন্ন সূত্র থেকে
১৯৮১ সালের ৩০ মে, সেনাবাহিনীর কতিপয় সদস্যের হাতে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান নিহত হন। বহুল আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কাহিনি তখন পর্যন্ত ছিল গোপনীয়তার আবরণে ঢাকা। বিভিন্ন সূত্র থেকে
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরীর আহ্বানে কওমি ঘরানার ৭টি ইসলামি দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম ফটিকছড়ি জামেয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদরাসায় এ

ফেসবুকে আমরা