• শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১১ পূর্বাহ্ন
Headline
বিরোধীদল নয় দিল্লির সঙ্গে সরকার নিজেই আঁতাত করছে: গোলাম পরওয়ার জমির মালিকানা দাবিতে প্রমাণ না থাকলে মিলবে না অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: হাইকোর্ট স্ত্রীকে আদালতে যেতে বাধ্য করলে ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারবে আদালত কৃষক কার্ডের মাধ্যমে জানতে পারবেন আগামীকাল বৃষ্টি হবে কি না: প্রধানমন্ত্রী আল্লাহর কাছে প্রিয় যে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ নেক আমল তা কি কি? নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের দাবি জামায়াতের এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটিতে ফেনীর নুর নবী নয়ন ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯২০ বর্তমান সরকারের মেয়াদে আগারগাঁওয়ে স্থানান্তার হবে সচিবালয়: গণপূর্তমন্ত্রী

ঘুষের টাকাসহ গোদাগাড়ীর সমবায় কর্মকর্তা আটক, ৫ বছরের কারাদণ্ড

Reporter Name / ২১১ Time View
Update : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে আটক গোদাগাড়ী উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা নৃপেন্দ্রনাথ দাসকে মোট ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা ফাঁদ মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আজ রোববার দুপুরে এ রায় ঘোষণা করা হয়।

রাজশাহী বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোস্তফা পাভেল রায়হান এ রায় দেন। রায়ে দণ্ডবিধির ১৬১ ধারায় ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ২ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ৮ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ৩ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

যেভাবে ফাঁদে ধরা পড়েন ওই কর্মকর্তা

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৯ সালের ১৪ মে গোদাগাড়ী পৌর সদরের সরমঙ্গলা একতা মৎস্য চাষী সমবায় সমিতির নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেন আব্দুল বাতেন। নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে তৎকালীন উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা নৃপেন্দ্রনাথ দাস তার কাছে ১৫ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন।

অভিযোগকারী আগে ৭ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হন। বিষয়টি দুদকের রাজশাহী জেলা কার্যালয়ে জানালে দুদক ফাঁদ পাতে। সেদিন দুপুর ২টার দিকে উপজেলা সমবায় কার্যালয়ে বসে অবশিষ্ট ৮ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার সময় দুদকের রাজশাহী জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোরশেদ আলমের নেতৃত্বে ৮ সদস্যের একটি দল তাকে হাতেনাতে আটক করে।

পরে তাকে গোদাগাড়ী থানায় সোপর্দ করে মামলা দায়ের করা হয়। মামলার বাদী ছিলেন সহকারী পরিচালক আলমগীর হোসেন।

দুদকের প্রতিক্রিয়া

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে রাজশাহী জেলা সমন্বিত দুদকের সহকারী পরিচালক আমির হোসেন জানান, গোদাগাড়ী থানার ফাঁদ মামলা নম্বর-২৬ থেকে উদ্ভূত বিশেষ মামলা নম্বর-০১/২০২০-এ আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়েছে।

দুদক কর্মকর্তারা বলেন, মামলার তথ্য-প্রমাণ ও সাক্ষ্য আদালতে সঠিকভাবে উপস্থাপিত হওয়ায় এ রায় এসেছে। এ রায় দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমে জনগণের আস্থা আরও বাড়াবে।

আলহামদুলিল্লাহ, আপনার সাহসী পদক্ষেপের কারণেই একজন ঘুষখোর কর্মকর্তা আজ দণ্ডিত হলেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এভাবেই সফলতা বয়ে আনে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা